Metro Rail time schedule today
Metro Rail time schedule today ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট থেকে মুক্তি দিতে মেট্রোরেল (MRT Line-6) এখন নগরবাসীর প্রধান ভরসা।
উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এই দ্রুতগামী ট্রেন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের সময় সাশ্রয় করছে। আপনি যদি আজকে মেট্রোরেলে যাতায়াতের পরিকল্পনা করেন, তবে এর সঠিক সময়সূচি, স্টেশনের তালিকা এবং ভাড়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
আপনার ওয়েবসাইটের জন্য “Metro Rail Time Schedule Today” বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ এবং এসইও (SEO) ফ্রেন্ডলি গাইড নিচে দেওয়া হলো।
মেট্রোরেল সময়সূচি ২০২৬: উত্তরা থেকে মতিঝিল (আজকের আপডেট)
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ (DMTCL) যাত্রীচাহিদা অনুযায়ী প্রায়ই সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনে। বর্তমানে মেট্রোরেল সপ্তাহের ৬ দিন (শুক্রবার বাদে) নিয়মিতভাবে চলাচল করছে। নিচে আজকের বিস্তারিত সময়সূচি এবং গাইডলাইন তুলে ধরা হলো।
১. মেট্রোরেল চলাচলের সাধারণ সময়সূচি
বর্তমানে মেট্রোরেল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কয়েকটি শিফটে চলাচল করে। ব্যস্ত সময়ে (Peak Hours) ট্রেনের ব্যবধান কম থাকে এবং সাধারণ সময়ে (Off-Peak Hours) কিছুটা বেশি থাকে।
সময়কাল ট্রেনের ব্যবধান (Headway) ধরন
সকাল ০৭:১০ – সকাল ০৭:৩০ ১০ মিনিট বিশেষ সার্ভিস (Special)
সকাল ০৭:৩১ – সকাল ১১:৩০ ০৮ মিনিট পিক আওয়ার (Peak Hour)
সকাল ১১:৩১ – বিকাল ০৪:০০ ১০-১২ মিনিট অফ-পিক আওয়ার (Off-Peak)
বিকাল ০৪:০১ – রাত ০৮:০০ ০৮ মিনিট পিক আওয়ার (Peak Hour)
রাত ০৮:০১ – রাত ০৯:৪০ ১০-১৫ মিনিট অফ-পিক আওয়ার (Off-Peak)
২. স্টেশন ভিত্তিক ট্রেনের সময় (আজকের জন্য)
মেট্রোরেল বর্তমানে উত্তরা উত্তর (Diabari) থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সবগুলো স্টেশনে থামছে। নিচে মূল স্টেশনগুলোর প্রথম ও শেষ ট্রেনের সময় দেওয়া হলো:
ক) উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল অভিমুখে:
- প্রথম ট্রেন: সকাল ০৭:১০ মিনিটে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে ছাড়ে।
- শেষ ট্রেন: রাত ০৮:৪০ মিনিটে (সাধারণ যাত্রীদের জন্য) এবং রাত ০৯:০০ মিনিটে (এমআরটি পাসধারীদের জন্য)।
খ) মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর অভিমুখে:
- প্রথম ট্রেন: সকাল ০৭:৩০ মিনিটে মতিঝিল স্টেশন থেকে ছাড়ে।
- শেষ ট্রেন: রাত ০৯:৪০ মিনিটে মতিঝিল স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়।
বিশেষ নোট: শুক্রবার মেট্রোরেল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। সরকারি ছুটির দিনে সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে, যা স্টেশনে নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়।
৩. মেট্রোরেলের স্টেশন তালিকা (MRT Line-6)
উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে বর্তমানে ১৬টি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা করা হচ্ছে:
১. উত্তরা উত্তর (Uttara North)
২. উত্তরা সেন্টার (Uttara Center)
৩. উত্তরা দক্ষিণ (Uttara South)
৪. পল্লবী (Pallabi)
৫. মিরপুর-১১ (Mirpur 11)
৬. মিরপুর-১০ (Mirpur 10)
৭. কাজীপাড়া (Kazipara)
৮. শেওড়াপাড়া (Sheowrapara)
৯. আগারগাঁও (Agargaon)
১০. বিজয় সরণি (Bijoy Sarani)
১১. ফার্মগেট (Farmgate)
১২. কারওয়ান বাজার (Karwan Bazar)
১৩. শাহবাগ (Shahbagh)
১৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University)
১৫. সচিবালয় (Bangladesh Secretariat)
১৬. মতিঝিল (Motijhil)
৪. মেট্রোরেলের ভাড়ার তালিকা (Fare Chart)
মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা এবং উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সর্বোচ্চ ভাড়া ১০০ টাকা। স্টেশনের দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়ার কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
- উত্তরা উত্তর থেকে মিরপুর-১০: ৪০ টাকা
- উত্তরা উত্তর থেকে ফার্মগেট: ৭০ টাকা
- উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল: ১০০ টাকা
- আগারগাঁও থেকে মতিঝিল: ৫০ টাকা
৫. টিকিট কাটার নিয়ম: সিঙ্গেল জার্নি বনাম এমআরটি পাস
মেট্রোরেলে দুই ধরনের টিকিট বা কার্ড ব্যবহার করা যায়:
ক) একক যাত্রার টিকিট (Single Journey Ticket):
স্টেশনের ভেন্ডিং মেশিন বা কাউন্টার থেকে প্রতিটি যাত্রার জন্য আলাদাভাবে টিকিট কাটতে হয়। যাত্রা শেষে এই কার্ডটি এক্সিট গেটে জমা দিতে হয়।
খ) এমআরটি পাস (MRT Pass / Rapid Pass):
যারা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এমআরটি পাস সবচেয়ে সুবিধাজনক।
- সুবিধা: লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার ঝামেলা নেই এবং ভাড়ায় ১০% ছাড় পাওয়া যায়।
- নিবন্ধন: ৫০০ টাকা (২০০ টাকা কার্ডের দাম ও ৩০০ টাকা রিচার্জ) দিয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে এই কার্ড সংগ্রহ করা যায়।
৬. মেট্রোরেলে যাতায়াতের নিয়মাবলী ও সচেতনতা
একটি আধুনিক এবং সুশৃঙ্খল গণপরিবহন হিসেবে মেট্রোরেলে কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে:
- ধূমপান ও খাবার নিষিদ্ধ: স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের ভেতরে ধূমপান বা কোনো কিছু খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা: ট্রেনের দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়াবেন না এবং হলুদ দাগের বাইরে অবস্থান করুন।
- মহিলাদের জন্য বিশেষ কোচ: প্রতিটি ট্রেনের একটি নির্দিষ্ট কোচ শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তবে মহিলারা চাইলে অন্য কোচেও ভ্রমণ করতে পারেন।
- পোষা প্রাণী ও দাহ্য পদার্থ: কোনো ধরনের পোষা প্রাণী বা বিপজ্জনক বস্তু বহন করা নিষেধ।
৭. কেন সঠিক সময় জানা জরুরি?
গুগলে মানুষ যখন “Metro Rail time schedule today” লিখে সার্চ করে, তারা মূলত তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নিতে চায়। আপনার ওয়েবসাইটের র্যাঙ্কিং বাড়াতে নিচের কীওয়ার্ডগুলো কন্টেন্টে ব্যবহার করুন:
- Metro rail off-peak hour schedule 2026
- Friday metro rail schedule Bangladesh
- Motijhil to Uttara metro train time
- MRT Pass registration process BD
৮. ২০২৬ সালে মেট্রোরেলের গুরুত্ব ও স্মার্ট বাংলাদেশ
২০২৬ সালে বাংলাদেশ যখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে মজবুত অবস্থান নিচ্ছে, তখন মেট্রোরেল আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নে মেট্রোরেল এখন শুধু একটি যাতায়াত মাধ্যম নয়, এটি আমাদের উন্নত জীবনযাত্রার প্রতীক।
৯.টিপস
যানজটমুক্ত ঢাকা গড়তে মেট্রোরেলের ভূমিকা অতুলনীয়। নিয়মিত যাতায়াতের জন্য সবসময় এমআরটি পাস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, এতে আপনার সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হবে।
আজকের ট্রেনের সময়সূচি অনুযায়ী আপনার যাত্রা পরিকল্পনা করুন এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করুন।

১০. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
১. শুক্রবার কি মেট্রোরেল চালু থাকে? না, বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য প্রতি শুক্রবার মেট্রোরেল বন্ধ থাকে।
২. মেট্রোরেলে হাফ পাস আছে কি? না, ছাত্রদের জন্য আলাদা কোনো হাফ পাস বা ছাড় নেই। তবে এমআরটি পাস ব্যবহার করলে ১০% ছাড় পাওয়া যায়।
৩. কার্ড হারিয়ে গেলে কী করণীয়? এমআরটি পাস হারিয়ে গেলে আপনার নিবন্ধিত তথ্য দিয়ে নিকটস্থ স্টেশনের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করে কার্ডটি লক করতে হবে এবং নতুন কার্ড নিতে হবে।
(বি.দ্র.: এই কন্টেন্টটি সম্পূর্ণভাবে এসইও অপ্টিমাইজড এবং ইউনিক তথ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে যাতে সার্চ ইঞ্জিনে এটি দ্রুত র্যাংক করে।)
আপনার জন্য আরও ১০০০ শব্দের বাড়তি আলোচনা (পর্ব ২)
মেট্রোরেলের সময়সূচি এবং এর আর্থ-সামাজিক প্রভাব নিয়ে আরও কিছু বিস্তারিত পয়েন্ট নিচে যুক্ত করা হলো:
১১. পিক আওয়ার ও অফ-পিক আওয়ারের সুবিধা
ঢাকা শহরের কর্মজীবী মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ সকাল ও বিকালে ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। সকাল ৮টা থেকে ১০টা এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্টেশনে মানুষের ভিড় বেশি থাকে। এই সময়ে ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি বা হেডওয়ে ৮ মিনিটে নামিয়ে আনা হয়। যারা ভিড় এড়াতে চান, তারা দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে যাতায়াত করতে পারেন।
১২. মেট্রোরেল স্টেশনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা
প্রতিটি মেট্রোরেল স্টেশন বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন:
- লিফট ও এসকেলেটর: বৃদ্ধ এবং শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য প্রতিটি স্টেশনে লিফট ও চলন্ত সিঁড়ির ব্যবস্থা রয়েছে।
- নামাজ ও ওজুর স্থান: কিছু বড় স্টেশনে যাত্রীদের জন্য নামাজের জায়গা রাখা হয়েছে।
- প্রাথমিক চিকিৎসা: জরুরি অবস্থায় যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রতিটি স্টেশনে ব্যবস্থা থাকে।
- সিসিটিভি নজরদারি: পুরো স্টেশন এবং ট্রেনের ভেতর সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।
১৩. পর্যটন ও মেট্রোরেল
মেট্রোরেল এখন ঢাকার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ। আগারগাঁওয়ের বিমান জাদুঘর, শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপত্য দেখার জন্য এখন মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে মেট্রোরেলে করে আসে। এটি ঢাকার অভ্যন্তরীণ পর্যটনকেও চাঙ্গা করেছে।
১৪. মেট্রোরেল কার্ড রিচার্জের সহজ উপায়
বর্তমানে এমআরটি পাস রিচার্জ করা আগের চেয়ে অনেক সহজ। স্টেশনের ভেন্ডিং মেশিন ছাড়াও বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে ভবিষ্যতে রিচার্জ করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। এতে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা আরও কমবে।
১৫. মেট্রোরেলে নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা
বাংলাদেশে গণপরিবহনে নারীদের যাতায়াত অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে।
- ডেডিকেটেড কোচ: প্রতিটি মেট্রোরেল ট্রেনের একটি নির্দিষ্ট কোচ (সাধারণত ট্রেনের এক প্রান্তের কোচ) শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তবে মহিলারা চাইলে সাধারণ কোচেও ভ্রমণ করতে পারেন।
- নিরাপদ পরিবেশ: স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের ভেতরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার উপস্থিতি নারীদের মধ্যে নিরাপত্তার বোধ তৈরি করে।
- নারীবান্ধব কর্মী: প্রতিটি স্টেশনেই নারী কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা নারী যাত্রীদের যেকোনো সমস্যায় কথা বলতে বা সাহায্য নিতে সহজ করে তোলে।
১৬. পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও জ্বালানি সাশ্রয়
মেট্রোরেল সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎচালিত এবং পরিবেশবান্ধব। এটি ঢাকা শহরের বায়ু দূষণ কমাতে বড় ভূমিকা রাখছে।
- কার্বন নির্গমন হ্রাস: বাস বা ব্যক্তিগত গাড়ির তুলনায় মেট্রোরেল মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ অনেক কমিয়ে দেয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি: ট্রেনের ব্রেকিং সিস্টেম থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পুনরায় ব্যবহারের প্রযুক্তি (Regenerative Braking) এখানে ব্যবহার করা হয়েছে, যা শক্তি সাশ্রয় করে।
১৭. স্মার্ট কার্ড (MRT Pass) কেন অপরিহার্য?
আপনি যদি সপ্তাহে অন্তত ২ দিনও মেট্রোরেলে যাতায়াত করেন, তবে আপনার জন্য এমআরটি পাস কেনা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।
- সময় সাশ্রয়: অফিসে যাওয়ার সময় বা ফেরার সময় টিকিটের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ২০-৩০ মিনিট নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। পাস থাকলে আপনি সরাসরি গেটে পাঞ্চ করে ঢুকে যেতে পারেন।
- ভাড়া সাশ্রয়: প্রতিবার ভাড়ায় ১০% ছাড় পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১০০ টাকার ভাড়ায় আপনি ১০ টাকা সাশ্রয় করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় একটি অংক।
- কার্ডের মেয়াদ: একবার কার্ড কিনলে এর মেয়াদ থাকে ১০ বছর। অর্থাৎ বারবার কার্ড পরিবর্তনের কোনো ঝামেলা নেই।
১৮. মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় যা করবেন এবং যা করবেন না (Dos & Don’ts)
একটি আধুনিক শহর হিসেবে আমাদের কিছু আচরণগত পরিবর্তন জরুরি। মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় নিচের নিয়মগুলো কঠোরভাবে পালন করা হয়:
করণীয় (Dos), বর্জনীয় (Don’ts)
লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনে উঠুন ট্রেনের দরজায় বাধা সৃষ্টি করবেন না
বয়স্ক ও শিশুদের আসন ছেড়ে দিন প্ল্যাটফর্মে দৌড়াদৌড়ি করবেন না
ময়লা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলুন প্ল্যাটফর্মে কোনো কিছু খাবেন না
মোবাইল ফোনে নিচু স্বরে কথা বলুন পানের পিক বা থুতু ফেলবেন না
১৯. মেট্রোরেল স্টেশনের আশেপাশে যাতায়াত ব্যবস্থা
মেট্রোরেলের স্টেশনগুলো এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে যেন আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- ফিডার বাস সার্ভিস: উত্তরা বা মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্টেশনে আসার জন্য শাটল বাস বা লেগুনা সার্ভিস চালু রয়েছে।
- রিকশা ও সিএনজি: প্রতিটি স্টেশনের নিচে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড রয়েছে যেখানে রিকশা বা সিএনজি পাওয়া যায়।
- হাঁটা পথ: আগারগাঁও বা ফার্মগেটের মতো স্টেশনে ফুটওভার ব্রিজগুলো এমনভাবে তৈরি যেন যাত্রীরা সহজেই রাস্তা পার হয়ে গন্তব্যে যেতে পারেন।
২০. মেট্রোরেলের অর্থনৈতিক প্রভাব
মেট্রোরেল চালু হওয়ার ফলে ঢাকা শহরের কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত আগে বাসে যেতে যেখানে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাগত, এখন তা মাত্র ৩৮-৪০ মিনিটে সম্ভব হচ্ছে। এই বেঁচে যাওয়া সময় দেশের জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া স্টেশনের আশেপাশে ছোট-বড় অনেক নতুন ব্যবসা ও মার্কেট গড়ে উঠছে, যা নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করছে।
২১. Metro Rail time schedule today ২০২৬ সালে মেট্রোরেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
২০২৬ সালের মধ্যে এমআরটি লাইন-৬ এর কাজ মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করার কাজ শেষ হওয়ার পথে। এর ফলে ট্রেনগুলো সরাসরি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সাথে যুক্ত হবে, যা ঢাকার বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের জন্য এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। এছাড়া এমআরটি লাইন-১ এবং লাইন-৫ এর কাজ শুরু হওয়ায় পুরো ঢাকা একটি রেল নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে।
২২. টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন (Technical Snippets)
মেট্রোরেলের কারিগরি দিক সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য:
- গতি: মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিমি, তবে স্টেশনে থামা ও গড় গতিবেগ বিবেচনায় এটি গড়ে ৪০-৫০ কিমি গতিতে চলে।
- ধারণক্ষমতা: একটি ৬ কোচের ট্রেন একসাথে প্রায় ২,৩০৮ জন যাত্রী বহন করতে পারে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: মেট্রোরেলে ১৫০০ ভোল্ট ডিসি (DC) ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
২৩. শেষ কথা:আধুনিক ঢাকার চালিকাশক্তি
মেট্রোরেল শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি ঢাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের একটি মাধ্যম। যানজটের শহর থেকে আধুনিক স্মার্ট সিটিতে রূপান্তরের এই যাত্রায় মেট্রোরেল আমাদের অহংকার।
সঠিক সময়সূচি মেনে যাতায়াত করলে আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবন আরও সহজ ও গতিশীল হবে
ক্যারিয়ারের সঠিক সিদ্ধান্ত ও নিয়মিত চাকরির আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন aijobsbd.com-এর সাথে। সরকারি ও বেসরকারি সকল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাবেন এখন এক ঠিকানায়।
আমাদের সাইটের এই প্রয়োজনীয় ক্যাটাগরিগুলো ঘুরে দেখতে পারেন:
-
-
-
সরকারি ক্যারিয়ার: সর্বশেষ সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি।
-
বেসরকারি সেক্টর: নামী-দামী কোম্পানির চাকরির সুযোগ।
-
-
